গিনেস বুকে চোখ ‘মেসি’র

গিনেস বুকে চোখ ‘মেসি’র

রয়েল ভিউ ডেস্ক:
সাভারের আশুলিয়ার খর্বাকৃতি ষাঁড় ‘রাণী’র মতই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকে নাম লেখানোর আশায় রয়েছে নেত্রকোনার কেন্দুয়ার ‘মেসি’।
 
মেসির মালিক কেন্দুয়া উপজেলার কমলপুর গ্রামের আজিজুর রহমান। তিনি একই জেলার খালিয়াজুরী উপজেলায় সমবায় কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। ৪০ হাজার টাকায় কেনা মেসি নামে এই খর্বাকৃতির ষাঁড়ের দাম উঠেছে চার লাখ টাকা। কিন্তু ১০ লাখ টাকার কমে বেচতে নারাজ আজিজুর।

জানা গেছে, শখের বশে বছর খানেক আগে খর্বাকৃতির ষাঁড়টি কিনেছিলেন আজিজুর রহমান। আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়ায় তার প্রিয় ফুটবল তারকার নামে এটির নাম রেখেছিলেন ‘মেসি’।
 
খর্বাকৃতির মেসির বয়স এখন চার হলেও সে তুলনায় বেড়ে ওঠেনি। মাত্র ৩৭ কেজি ওজনের গরুটির গায়ের রং ধূসর কালো। উচ্চতা মাত্র ২৭ ইঞ্চি। লম্বায় মাত্র ২৪ ইঞ্চি। শিং আছে, কিন্তু দুটোই ভোঁতা।

আজিজুর রহমান জানান, আকারে ছোট হওয়ায় মেসি খাবার তুলনামূলক কম খায়। প্রতিদিন তাকে কিছু ঘাস কেটে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি দেওয়া হয় খৈল, ভূষি ও ছানা বুট ইত্যাদি। নিয়মিত তাকে সাবান অথবা স্যাম্পু দিয়ে গোসল করানো হয়।

তিনি বলেন, মেসিকে কেনার জন্য লোকের যেন অভাব নেই। অনেকেই কিনতে আসেন। কেউ কেউ ভাবেন, ছোট গরু হওয়ায় দাম কম হবে। তাই দামের আন্দাজ করতে পারেন না। কয়েকজন তিন-চার লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছেন। আমি ১০ লাখ টাকায় বেচতে চাই।
 
তিনি আরও বলেন, চার বছর বয়সী ষাঁড় হিসেবে এটিই দেশের সবচেয়ে ছোট। বোধকরি অন্য দেশেও নেই। তাই এটিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে যোগাযোগের প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

নেত্রকোনার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মনোরঞ্জন ধর বলেন, দেশে এই বয়সের এ রকম ছোট আর কোনো ষাঁড় আছে কি না, জানি না।

এর আগে সাভারের আশুলিয়ার চারিগ্রামে শিকড় অ্যাগ্রো লিমিটেড নামের একটি খামারে ‘রাণী’ খর্বাকৃতির ষাঁড়ের সন্ধান মিলে। উচ্চতায় ২০ ইঞ্চি, লম্বায় ২৭ ইঞ্চি। আর ওজন ২৬ কেজি।

এক বছর আগে নওগাঁ থেকে ভুট্টি জাতের গরুটি কিনে এনেছিলেন খামারটির মালিক। কিন্তু ওই গরুটির বয়স দুই বছর।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু ‘মানিকিয়েম’ রয়েছে ভারতের কেরালা রাজ্যে। অক্ষয় এনভির চার বছর বয়সী ওই গরুটির রং লাল। উচ্চতায় ২৪ ইঞ্চি, আর ওজন ৪০ কেজি।