৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে নাসিরের

৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে নাসিরের

ডেস্ক রিপোর্ট:
মানহানি ও ব্যাভিচারের অভিযোগ এনে ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তাম্মির বিরুদ্ধে আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে পিবিআই। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, নাসিরের বিয়েটা বৈধ হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেৎ মোহাম্মদ জসীমের আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করেন পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তাম্মির আগের বিয়ে হয়েছিল রাকিবের সাথে। সেই বিয়ের বিচ্ছেদের নথিপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। রাকিবকে তালাক না দিয়েই তাম্মি বিয়ে করেন নাসিরকে। তালাক হনি জেনেও নাসির তাম্মিকে বিয়ে করেছেন। তাম্মি তালাক দেয়নি রাকিবকে। আর রাকিবও কোনো তালাক নোটিশ পাননি।

নাসিরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সংক্রান্ত আইনে বলা হয়েছে অন্যের স্ত্রীকে জ্ঞাতভাবে যদি কোনো পুরুষ ফুসলিয়ে বা প্রলুব্ধ করে যৌনসঙ্গমের জন্য কোথাও নিয়ে যায় বা কোথাও আটকে রাখে তাহলে সেটা একটি অপরাধ যা দণ্ডবিধির ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডনীয়, অথবা অর্থদণ্ড কিংবা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হবে।

দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের শাস্তির উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো বিবাহিত নারীর সঙ্গে তার স্বামীর সম্মতি ছাড়া যৌনসঙ্গম করে এবং অনুরূপ যৌনসঙ্গম যদি ধর্ষণের অপরাধ না হয়, তাহলে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের দায়ে দায়ী হবে। যার সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডসহ উভয় দণ্ড। তবে ব্যভিচারের ক্ষেত্রে স্ত্রীলোকটির কোনো শাস্তির বিধান আইনে নেই।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডসহ উভয় দণ্ড হতে পারে।